EXCELLENCE ACADEMY
YOUTUBE CHANNEL – EXCELLENCE ACADEMY
fhs
PH.NO - 7478448780
(fhs) 1ST YEAR COMPULSORY PAPER ONLINE MCQ EXAM SUGGESTION + BROAD SUGGESTION + SHORT NOTES
1.সাঁওতাল বিদ্রোহ কত খ্রিস্টাব্দে শুরু হয় ?
ANS: 1855সালে।
2.সাঁওতাল বিদ্রোহের একজন নেতার নাম লেখাো ।
Ans: সিধু।
3.কত খ্রিস্টাব্দে সিপাহি বিদ্রোহ/মহাবিদ্রোহ হয়েছিল ?
Ans: 1857 খ্রিস্টাব্দে।
4.সিপাহি বিদ্রোহ প্রথম কোথায় ঘটেছিল?
Ans: ব্যারাকপুরে।
5.সিপাহি বিদ্রোহের প্রথম শহিদ কে ?
Ans: মঙ্গল পান্ডে।
6) কোন গভর্নর জেনারেলের সময় ভারতে সিপাহী বিদ্রোহ হয়েছিল।অথবা সিপাহী বিদ্রোহ আরম্ভ হওয়ার সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন? অথবা1857 সালের মহাবিদ্রোহের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন।
Ans: লর্ড ক্যানিং।
7)1857 খ্রিস্টাব্দের মহাবিদ্রোহের প্রসিদ্ধ নেত্রীর নাম কি।
Ans: লক্ষ্মীবাঈ।
8) কে 1857 বিদ্রোহকে প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ বলেছেন।
ANS: বিনায়ক দামোদর সাভারকার।
9) ব্রিটিশ শাসনে প্রথম শতকের একটি কৃষক বিদ্রোহের নাম লেখ।
Ans: ফরাজি বিদ্রোহ।
10)প্রাচীন বাংলার বৃহত্তম রাজ্য কী ছিল?
Ans: পুন্ড্রবর্ধন।
11)শশাঙ্কের রাজধানীর নাম কী ?
Ans: কর্ণসুবর্ণ
12)হরিকেল কী?
Ans: চট্রগামের উপকূল অঞ্চল।
13)পালবংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
Ans: গোপাল।
14) কৈবর্ত বিদ্রোহের তিনজন নেতার নাম কী ?
Ans: দিব্য, রুদোক, ভীম।
15)রামচরিত কাব্যের লেখক কে?
Ans: সন্ধ্যাকর নন্দী।
16) দক্ষ নৌবাহিনী কে তৈরি করেন ?
Ans: প্রথম রাজ রাজ ও রাজেন্দ্র চোল।
17)প্রথম রাজেন্দ্র কী উপাধি নেন ?
Ans: গঙ্গাইকোন্ডচোল।
18)চোল রাজ্য কে প্রতিষ্ঠা করেন?
Ans: বিজয়ালয়।
19) ‘বঙ্গ’ নামটির উল্লেখ প্রথম কোথায় পাওয়া যায় ?
Ans: ঋকবেদের ঐতরেয় আরণ্যক-এ
20)কালিদাসের রঘুবংশম্ কাব্যে কোন্ অঞ্চল দুটির নাম উল্লেখ আছে।
Ans: বঙ্গ ও সুহ্ণ
সম্পূর্ণ ও অসম্পূর্ণ যন্ত্রের ক্রমবিকাশের ভিত্তিতে প্রত্নতাত্ত্বিকরা আদিম যুগের যন্ত্র নির্মাণ ও ব্যবহারের যে ইতিহাস তৈরি করেছেন তা ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: মানুষ প্রকৃতি থেকে তাদের জীবনধারনের সকল প্রকার জৈবিক বৈশিষ্ট্য গ্রহন করলেও নিজেদের উন্নত বৌদ্ধিক, সাংস্কৃতিক ক্ষমতা এবং সৃজনশক্তির মাধ্যমে তা ছাপিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা দেখিয়েছে। মানুষের বিবর্তনের দীর্ঘ ইতিহাস প্রস্তর যুগ থেকেবৈদ্যুতিক ও আনবিক যুগ পর্যন্ত বিস্তৃত। যন্ত্র নির্মান ও সেগুলো প্রয়োগের বিবর্তন লক্ষ করা যায়। মানুষ ও প্রকৃতির সম্পর্কের বিভিন্ন দিক মানব সভ্যতার অগ্রগতিকে কিভাবে এগিয়ে নিয়ে গেছে তা ধারাবাহিক ভাবে আলোচনা প্রয়োজন।
প্রকৃত অর্থে সভ্য মানুষ বা হোমোসেপিয়ানদের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে যত্ন নির্মান ও তার পূনাঙ্গ ব্যবহার শুরু হয়েছে। মানুষ কেবলমাত্র এই যন্ত্রগুলিকে ব্যবহারই করেনা। সময়ের পরিবর্তনে সেগুলিকে বিবর্তন ঘটানোর চেষ্টা করে, এই প্রচেষ্টা যদি বন্ধ হয়ে যেত তাহলে বর্তমান যুগের এই উন্নত যান্ত্রিক সভ্যতা আমাদের কাছে অদৃশ্যই থেকে যেত।
সম্পূর্ন এবং অসম্পূর্ন যন্ত্রের ভিত্তিতে তত্ত্ববিদরা প্রস্তরযুগ, তাম্ৰাযুগ এবং লৌহযুগ—এইভাবে স্তরগুলিকে সাজিয়েছেন।“প্রস্তর যুগকে আবার দুটি স্তরে বিভিক্ত করেছেন—প্রাচীন প্রস্তর যুগ এবং নব্য প্রস্তর যুগ”। এই যুগ বিভাজনের স্তরগুলি সর্বত্র একই ভাবে প্রকাশিত হয়নি। যখন কোন একটি অঞ্চলে প্রস্তরযুগ শুরু হয়েছে। অন্য অঞ্চলে হয়ত তাম্রযুগ শুরু হয়ে গিয়েছে আবার অন্য কোথাও আবার লৌহযুগ এই ক্রমবিকাশের ভিত্তিতেই তৈরী আদিম যুগের যন্ত্র নির্মান ও সেগুলির ব্যবহারের ইতিহাস।
প্রাচীন প্রস্তর যুগ বা প্যালিওলিথিক যুগ : পাঁচ লক্ষ থেকে আড়াই লক্ষ খ্রীঃ পূর্বাব্দের মধ্যে এই যুগকে ধরা হয়। এই সময় মানুষ ছিল মূলত সংগ্রহকারী, উৎপাদনের জ্ঞান ও অভ্যাস তাদের ছিল না। এই সময় মানুষ সম্পূর্ন রূপে শিকার—মাছ ধরা এবং খাদ্য সংগ্রহের মাধ্যমে জীবন যাপন করত। এই যুগে আদিম মানুষেরা খুবই সাধারন মানের পাথরের অস্ত্র শিকারের কাজে। ব্যবহার করত। প্রয়োজন বাড়তে থাকার কারনে তারা নতুন নতুন কৌশল আবিষ্কার করতে থাকে। প্রকৃতির উপর কোন নিয়ন্ত্রন না থাকার কারনে তারা সম্পূর্ন রূপে প্রকৃতি নির্ভর ছিল। বৃটিশ নৃতত্ত্ববিদ মর্গান এ যুগের সাংস্কৃতিক বিবর্তনকে বর্ণনা করেছেন। এই সময় শিকারকে ধারাল চকমকি পাথর দিয়ে হত্যা করা; নানা ধরনের শেকড়, বাকড় খুঁজে বার করার কাজ চলতে থাকে। এক্ষেত্রেও অস্ত্র নির্মানের ক্ষেত্রে এক ধরনের অগ্রগতি বা উন্নতি লক্ষ করা যায়।
নব্য প্রস্তরযুগ (নিত্তলিথিক যুগ) :
দশ থেকে বারো হাজার বছর আগে শুরু হওয়া এই যুগে মানুষ তাদের খাদ্যেরযোগান বাড়াতে এবং অনেক ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রন করতে সক্ষম হয়েছিল। এটা সম্ভব হয়েছিল। খাদ্য শস্য চাষ এবং পশুপালনের মধ্যে দিয়ে। এই সময় মৃত পাত্র, পশম, শন এবং তুলো থেকে সুতো তৈরী করার প্রমান মেলে। উন্নতমানের ধারাল পাথুরে কুঠারও এই সময় তৈরী হয়। এসকল নতুন নতুন আবিষ্কারের কারনে এই সময়ের পরিবর্তনকে নব্য প্রস্তর যুগের বিপ্লব বলে বর্ণনা করা হয়। দার্নিয়ব নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন গ্রামে পাওয়া প্রত্নতাত্ত্বিক অবশিষ্ট থেকে বহু সংখ্যক পাথরের তীক্ষ্ম ফল, হাড় দিয়ে তৈরী হারপুন, নিড়ানীর ফাল, কাস্তে ও হার্ড মিলের অমসৃন পাথরের যাতার সন্ধান পাওয়া গেছে। এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলির মধ্যে দিয়ে বোঝা যায় যে, নব্য প্রস্তর যুগে খাদ্য শস্য চাষ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই যুগের শস্য ভান্ডারের অস্তিত্ব প্রমান করে যে প্রয়োজনের তুলনায় তারা অধিক খাদ্যশস্য উৎপাদন করত, এটাই বিবর্তনের উৎকৃষ্ট প্রমান।
তাম্রযুগ : অস্ত্র নির্মানের পরবর্তী বিপ্লব আসে পাঁচ হাজার বছর আগে তাযুগে। এই সময়ে লিপি ও মুদ্রা এবং বিভিন্ন প্রকার অস্ত্র থেকে তামার ব্যবহারের প্রমান পাওয়া যায়। তাই এই যুগকে তাম্রযুগ বলা হয়। তিন হাজার খ্রীষ্ট পূর্বাব্দের মধ্যে ভারত, মেসোপটেমিয়া এবং গ্রীসে ব্রঞ্জের অস্তিত্ব মেলে, ব্রোঞ্জ তৈরী করা হয় তামা ও টিন মিশিয়ে। এই সময়ে চাকা আবিস্কৃত হয়, যা তৈরী করা হত তামার পেরেক কাজে লাগিয়ে । এই চাকার অবিষ্কার পরিবহনের ক্ষেত্রে বিপ্লব নিয়ে আসে। এই যুগে দু’চাকা, চার চাকা গাড়ীর ব্যবহার করা হত।
মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পার ধ্বংসাবশেষ থেকে এই যুগে পোড়ামাটির ইটের ব্যবহার, হাওয়ার গতিকে কাজে লাগিয়ে জল পরিবহনের মাধ্যমে, পলিনেশিয়া থেকে মিশর যেতে পাল তোলা নৌকার ব্যবহার জ্বালানীর ব্যবহার এবং সেগুলির নিয়ন্ত্রন সে যুগে অজানা ছিল না, এটাও যান্ত্রিক বিবর্তনের পরিচায়ক। তাম্ৰযুগে যেটা সবচেয়ে লক্ষ করার মত তা হল সংগঠিত ভাবে চাষের জমি ব্যবহার করা। প্রয়োজনে বিভিন্ন কৃত্রিম প্রনালী কাজে লাগিয়ে আবহাওয়ার খাম খেয়ালীপনাকে জয় করে, জলা জমি ও মুরভূমি থেকে প্রচুর পরিমান খাদ্যশস্য উৎপাদিত হয়েছে। তবে সব থেকে বড় কথা এই যুগে মানুষ তামা গলিয়ে ব্যবহার করার ক্ষমতা অর্জন করতে না পারলে এই ধরনের বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসত না। তাম্রযুগ যে প্রস্তর যুগের পরবর্তী এবং প্রস্তর যুগ অপেক্ষা খানিকটা উন্নত তা বোঝা যায় তার বিচিত্র শৈলির ব্যবহারে। তামাকে গলিয়ে তরলে পরিনত করা যায় এবং সেই তরল তামাকে যে কোন আকৃতি দেয়া যায়। তামা, পাথর বা হাঁড়ের সকল প্রকার গুনাবলীই বহন করে। তামা কোন কারনে ভেঙে গেলেও আবার সহজেই তৈরী করে নেয় যায়। তাই তামার ব্যবহার পাথর অপেক্ষা অনেক বেশি সুবিধার।
লৌহযুগ :লৌহযুগ শুরু হয় আনুমানিক বারোশ খ্রীষ্ট পূর্বাব্দ নাগাদ। লোহা, তামা বা টিনের মত দুষ্প্রাপ্য নয়, যদিও শুরুতে লোহা দুষ্প্র ছিল। লোহা, তামা অপেক্ষা অনেক বেশি তাপমাত্রায় গলে, তাই শুরুতে পেটানো লোহারই প্রচলন ছিল। দীর্ঘদিন পরে অর্মেনিয় পার্বত্য এলাকার বর্বর উপজাতিরা লোহা গলানোর কৌশল আবিষ্কার করে। লোহা গলানোর কৌশল দীর্ঘদিন বিশেষ ভাবে গোপন রাখার কারনে বিভিন্ন সংস্কৃতিতে এই আবিষ্কার পৌঁছতে বেশ সময় লেগে যায়।
গ্রীস, এশিয়া মাইনর, মেসোপটেমিয়া এবং মিশরের বড় বড় সাম্রাজ্য গড়ে ওঠেতাম্ৰযুগের এই অগ্রগতির সময়েই, ইউরেশিয় এলাকার বর্বর জাতি লোহা আবিষ্কার করে, তা দিয়ে অস্ত্রশস্ত্র আবিষ্কার হওয়ার ফলে এই সাম্রাজ্যগুলি বিপদের সম্মুখীন হয়। গর্ডন চাইল্ডের মতে “সস্তা লােহা, কৃষি, শিল্প এমনকি যুদ্ধ বিগ্রহকে গনতান্ত্রিক রূপ দেয়” অতীতে লোহা ছিল দুর্লভ এবং উন্নত মানের অস্ত্রশস্ত্র ছিল দামী। তারা লোহার কুঠারের সাহায্যে নিজেরা নতুন জমি তৈরী করে নিতে পারত, এবং লোহার হালের ফলার সাহায্যে পুথুরে জমিকে চাষযোগ্য জমিতে পরিনত করতে পারে। এ থেকে প্রমানিত মানুষ প্রস্তর তাম্র যুগের মধ্যে দিয়ে পৌছে লৌহযুগে এসে পড়ে তাদের ধারাবাহিক বিবর্তন এর মধ্যে দিয়ে।
আদিম মানবের যন্ত্র নির্মাণ দক্ষতার ভিত্তিতে প্রত্নতত্ত্ববিদরা বিবর্তনের যে স্তর গুলি তৈরি করেছেন সে গুলি আলোচনা করুন।
উত্তর: প্রাক ঐতিহাসিক যুগের মানুষের ব্যবহার করা যন্ত্রপাতির ভিত্তিতে এই যুগকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এই গুলি হল (১) প্রাচীন প্রস্তর যুগ (২) মধ্যপ্রস্তর যুগ (3) নব্য প্রস্তর যুগ। প্রাচীন প্রস্তর যুগকে আবার তিনটি পর্বে বিভক্ত করা হয়— নিম্ন প্রাচীন প্রস্তর যুগ, মধ্য প্রাচীন প্রস্তর যুগ ও শেষতম প্রাচীন প্রস্তর যুগ।
প্রাচীন প্রস্তর যুগের বৈশিষ্ট্য :
সময়কালঃ ১) এই যুগ প্লায়স্টোসিন যুগের সমসাময়িক বলে বিবেচিত হয়। ২) এই যুগের বিস্তারকাল হল আনুমানিক ৮০০০০০-২০০০০০ খ্রি. পূ. পর্যন্ত।
নিম্ন প্রাচীন প্রস্তর যুগ
১) এই যুগের নিদশণি পাওয়া গেছে কাশ্মীর অপল পাটোয়ার মালভূমি, হিমাচল প্রদেশের শিবালিক পর্বত, কর্ণাটকের হুঙ্গাসি উপত্যকা, তমিলনাড়ুর চেন্নাইয়ের নিকট অওরিপক্কম, রাজস্থানের দিওয়ানা, মহারাষ্ট্রের নেভাসা, মধ্যপ্রদেশের নর্মদা উপত্যকায়। ২) এই যুগে হোমোহাবিলিস বা হোমো ইরেক্টাস নামক মানুষের আবির্ভাব হয়েছিল। ৬) এই যুগের হাতিয়ারগুলি চিল ছিল মূলত পাথরের তৈরি—হাত কুঠার ও 'চপার’ জাতীয় অস্ত্র। এই অস্তগুলি নুড়ি-পাথর বা কোয়ার্টজাইট দিয়ে তৈরি হয়। নিম্নমানের এই ভারী যন্ত্রপাতি গুলি কোরটুল নামে পরিচিত।৪)এই যুগের মানুষের মূলত খাদ্য সংগ্রাহক ছিল অর্থাৎ শিকার ও ফলমূল সংগ্রহ করে জীবনধারণ করত। সেই সময়কার মানুষ পশুপালন জানত না। ৫) এই যুগের মানুষকে কোনো স্থায়ী বাসগৃহ ছিল না। খোলা আকাশের নীচে বা প্রাকৃতিক গুহায় বসবাস করত।
মধ্য প্রাচীন প্রস্তর যুগ :
১) এই যুগের অস্ত্রগুলি অপেক্ষাকৃত হালকা, ক্ষুদ্র কিন্তু ধারালো প্রকৃতির হত ক্লেক জাতীয় অস্ত্র এই যুগে অন্যতম ছিল। এই পর্বে ব্যবহৃত প্রধান অস্ত্রগুলি ছিল ছুরি, বুরিণ প্রভৃতি। ২) এই অস্ত্রগুলির নিদর্শণ পাওয়া গেছে মহারাষ্ট্রের নেভাসাতে, রাজস্থানের দিওয়ানোতে।১)
পরবর্তী বা শেষতম প্রাচীন প্রস্তর যুগ ঃ
এই পর্বে ফ্লেক দ্বারা প্রস্তুত ছুরি জাতীয় যন্ত্রপাতির অভাব বজায় ছিল। ২) প্রাচীন প্রস্তর যুগের শেষ পর্যায়ে লেড ও বুরিণের পাশাপাশি চাছার জন্য অস্ত্র, চন্দ্রাকৃতি অস্ত্র ও অন্যান্য ক্ষুদ্র হাতিয়ারের ব্যবহার শুরু হয়।
মধ্যপ্রস্তর যুগ (সময় আণুমাণিক ১০০০০-৬০০০০ খ্রিস্টপূর্ব) :
১) এই সময় ক্ষুদ্র অস্ত্র বা হাতিয়ারের ব্যাপক প্রচলন ঘটে। এই যুগকে তাই Microlithic’ যুগও বলা হয়ে থাকে। হাতিয়ারগুলি আকারে অত্যন্ত ক্ষুদ্র হওয়ায় কোনো দন্ত জাতিয় বস্তুর সাথে জুড়ে বা গেঁথে সেগুলি ব্যবহার করা হয়। এই গুলির মধ্যে হাড়ের তৈরি ফলা, ধারওয়ালা, ছুরি, জাতা জাতীয় উপকরন ছিল উল্লেখযোগ্য।
২) ভারতের পূর্বে বসবাসকারীরা ছিল প্রধানত মোঙ্গল বংশোদ্ভূত এবং পশ্চিমে বসবাসকারীরা ছিল ককেশীয় জাতিগোষ্ঠীভুক্ত। ৩) গুজরাটের লঞ্জ, মহারাষ্টের চলিগাঁওয়ের কাছে পাটন, উত্তরপ্রদেশের সরাই নহর রাই, মাহাদহা, চোপানি মাণ্ডোদক্ষিণে তিনেভেলি প্রভৃতি এখানে এই যুগের নিদর্শন পাওয়া গেছে। ৪) এই যুগের প্রধান জীবিকাগুলি - পশুশিকার, পশুপালন, মাছধরা, ফলমূল সংগ্রহ কৃষিকাজ ভেড়া,ছাগল, হরিণ, শূকর, হাতি, কচ্ছপ ইত্যাদি পশুর হাড় থেকে এগুলির অস্তিত্ব ছিল। বলে অনুমাণ করা হয়।
নব্যপ্রস্তর যুগ (সময়কাল—আনুমাণিক ৬০০০-২৫০০ খ্রি. পূর্ব) :
১) অস্ত্র বা হাতিয়ার গুলি পূর্বের তুলনায় মসৃণ ও চকচকে পাথরের তৈরি অস্ত্রে ব্যবহার করা হত। ২) এই যুগে গৃহ নির্মাণ, কৃষিকাজে উন্নতি ও পশুপালন, সুতো কাটার চরকা, মাটির পাত্র, তুলো থেকে সুতো তৈরির পদ্ধতি আবিষ্কার হয়। এই সময়ে মানুষ তামা ও ধাতুর সঙ্গে পরিচিত হয়। কাশ্মীরের বুর্জাহোমে প্রথম এই যুগের মানুষদের সমাধিস্থ করার নীতি সম্পর্কে নিদর্শণ পাওয়া যায়। এখানে গৃহপালিত পশুদের তাদের প্রভুর সাথে কবর দেওয়ার প্রথা প্রচলিত ছিল, এই সময় মেহেরগড়ে কুমোরের চাকা ও আগুনের ব্যবহারের নিদর্শণ পাওয়া যায়।তাই ঐতিহাসিক গার্ডন চাল্ডি এই যুগকে ‘নব্যপ্রস্তর যুগীয় বিপ্লব বলে আখ্যায়িত করেছেন।
তাম্র প্রস্তর যুগ (সময়কাল ২০০০/১৮০০-১০০০ খ্রীঃপূর্ব) ঃ
১) এই সময়ে মানুষ পাথরের সঙ্গে তামার ব্যবহার এবং তামার সঙ্গে টিন মিশিয়ে ব্রোঞ্জ তৈরির পদ্ধতি শেখে। এই যুগে অহার সংস্কৃতি, কায়াথা সংস্কৃতি ও মালয় সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল। পিকলিহল, এরান নাসিক, নেভাসা, মহারাষ্ট্রের ধুলিয়া,রংপুর ও হরপ্পার তাম্র-প্রস্তরযুগের নিদর্শণ পাওয়া গেছে। ২) কৃষিকাজ ও এই সময়ের প্রধান জীবিকা ছিল। উৎপাদিত ফসলের মধ্যে ধান, গম, কলাই বা মটরশুটি ছিল অন্যতম। ৩) এই যুগে বয়ণশিল্প ও মৃৎশিল্প এরও নিদর্শণ পাওয়া গেছে। যন্ত্রপাতির মধ্যে তামার জিনিস, বাটালি, হারপুণ, কুঠার ইত্যাদি ছিল উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও এই সময় মানুষ মাটি, কাঠ ও পোড়ামাটির তৈরি বাড়ি নির্মার শেখে। ষাঁড় ও মাতৃদেবীর পূজা প্রচলিত ছিল। এসময় থেকে মানুষের মধ্যে ক্ষমতা দখলের লড়াই ও শোষণ শুর হয়।
!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
fhs,
nsou assignment,
fhs short notes,
netaji subhas open university,
nsou bdp assingment 2021,
nsou exam 2021,
nsou reduced syllabus,
assingment,
excellence academy,
bdp 1st year,
notes,
bdp 1 st year,
!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
Thanks you for contacting EXCELLENCE ACADEMY
Please let us know how we can help you
Subscribe my You Tube channel :-
https://youtube.com/channel/UCeqI19916_20Ic39jK0wi1A
join my facebook group :-
https://www.facebook.com/groups/485319229356130/?ref=share
!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
No comments:
Post a Comment
how can we help you