Wednesday, June 2, 2021

FBG 1ST YEAR SHORT NOTES & BROAD SUGGESTION

 

EXCELLENCE ACADEMY                        

                   YOUTUBE CHANNEL – EXCELLENCE ACADEMY

FBG

                                 PH.NO - 7478448780

  (FBG) 1ST    YEAR COMPULSORY PAPER ONLINE MCQ  EXAM        SUGGESTION + BROAD SUGGESTION + SHORT NOTES

 

1)পিঁপড়েরা কিভাবে বাস করে।

Ans: বিরাট দলে বাস করে

2)বাসা বানানাো, খাবার জোগাড় করা সন্তানপালন এবং যুদ্ধবিগ্রহ ইত্যাদি সব কার কাজ।

Ans: পুরুষ পিঁপড়ের।

3) পিপড়েদের বংশবৃদ্ধির কাজ কে করে।

Ans: পুরুষ ও স্ত্রী পিপড়ে মিলে করে.

4) পিঁপড়েদের বাসা কিভাবে কোথায় তৈরি হয়।

Ans: গর্তের ভিতর, গাছের কোটরে অথবা বড়াো গাছের পাতা দিয়ে তৈরি হয়।

5) নালসাো পিপড়েদের বাসা দেখতে কেমন।

Ans: গাোল

6) পৌষকুলাঙ উৎসব কিসের উৎসব

Ans:দেবতার নামে উৎসর্গীকৃত উৎসব।

7)মুরিয়ারা কখন নাচে।

Ans:সব অনুষ্ঠানে, এমনকী দুঃখেও নাচে।

8)নাচের তালে ভুল হওয়া মুরিয়া সাজে অপরাধ মনে হয়??

Ans: অমার্জনীয় অপরাধ।

9)অগ্নিকুণ্ড জ্বালা হয় পৌষকুলাঙ যাত্রার কোন দিন।

Ans:  ১) আগের দিন সকালে।

(২) দিন সকালে।

(৩) দুদিন আগে বিকেলে।

(উপরের তিনটির কোনাোটিই নয়।)ata ans jodi onno kichu option thake tahola.

10) ছাইগাদায় পায়ের ছাপ পাওয়া গেলে তা কিসের নির্দেশ বা সংকেত।

Ans:অভিযান স্থগিত রাখার নির্দেশ।

11)নীলদর্পণ নাটকটি কে রচনা করেন?

Ans: দীনবন্ধু মিত্র।

12)কেশবচন্দ্র সেন কোন্ ধর্ম সংস্কারে নেতৃত্ব দেন?

Ans:ব্রাহ্মধর্ম ।

13)প্রথম মহাযুদ্ধের অন্তে বাঙালি রাজনীতির মূলধারার সমাপ্তি ঘটে কার মহান আবির্ভাবে?

Ans: গান্ধীজি।

14) উনিশ শতকের নারী জাগরণ ও বাঙালি সংস্কৃতি উন্নয়নের জন্য বাঙালি কোন্ সমাজের কাছে ঋণী?

Ans:ক্রিশ্চান ও ব্রাহ্মসমাজ।

15)কোন সময় থেকে বাঙালির জাতীয় জীবনের সংকট মর্মান্তিক স্পষ্টতা লাভ করতে থাকে?

Ans: বিংশ শতাব্দীর চতুর্থ দশকের প্রথমে।

16)গাছের যে অংশ উপরের দিকে থাকে, তাহাকে কী বলে।

Ans: কান্ড।

17)মূল দ্বারা মাটি হইতে গাছ কী শাোষণ করে।

Ans: জলীয় রস।

 

প্রশ্ন :-রবীন্দ্রনাথ ভারততীর্থ কবিতায় জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ভারতের মহামানবের সাগর তীরে’ মিলনের বার্তা পৌঁছে দিতে চেয়েছেন। বর্তমান প্রেক্ষিতে তার প্রাসঙ্গিকতা ও গুরুত্ব সম্পর্কে আপনার নিজস্ব মত ব্যক্ত করুন।

উত্তর:-গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ‘ভারততীর্থ’ কবিতায় কবি রবীন্দ্রনাথ নানা ভাষা-ভাষী-ধর্ম-জাতির দেশ এই ভারতবর্ষের মানুষের সহ-অবস্থানের কথা আলচনা করেছেন। যুগে যুগে এ দেশে পৃথিবীর নানা স্থান থেকে নানা ভাষা ধর্মের লোক এসেছে। কেউ করেছে শাসন শোষণ, কেউ বা লুঠরাজ চালিয়ে ফিরে গেছে স্বস্থানে। যারা থেকে গেছে তাদের চেষ্টায় তৈরি হয়েছে ভারতের সভ্যতা-সংস্কৃতি। আর্য অনার্য দ্রাবিড়, চিন, শক, হূণ, পাঠান-মোগল প্রভৃতি এক দেহে লীণ হয়ে গেছে। কৰি নিরাসক্ত ও নির্বিকার দৃষ্টিতে ভারতের এই প্রবহমান বহিঃ শক্তির সঙ্গে আমাদের অন্তঃশক্তিকে মিলিয়ে দিতে চাইছেন। কবির অন্তরের এই গভীর অনুভব কবিতার শুরুতেই প্রকাশিত হয়েছে-

‘হে মোর চিত্ত, পুণ্য তীর্থে জাগো রে ধীরে

   এই মহামানবের সাগরতীরে।

মরুপথ, গিরিপর্বত বেদ করে প্রবল কলরবে যারা এসেছিল তারা আজ কেউ বিচ্ছিন্ন নয়। এদেশের মাটি, জল হাওয়ার মত আমাদের রক্তেই তারা মিশে আছে, আজও তারা বিচিত্র সুর বেজে ওঠে।মরুপথ, গিরিপর্বত বেদ করে প্রবল কলরবে যারা এসেছিল তারা আজ কেউ বিচ্ছিন্ন নয়। এদেশের মাটি, জল হাওয়ার মত আমাদের রক্তেই তারা মিশে আছে, আজও তারা বিচিত্র সুর বেজে ওঠে। ঘৃণা নয় কেবল ভালবাসায়, প্রেমের বন্ধনে আমাদেরকে কাছে টেনে নিতে হবে। তবেই এই জাতি আরও বিকশিত হবে। কবি ভারতবর্ষকে ‘মহামানবের সাগরতীর’ বলে মনে করেছেন। যে বিবাদ বিসম্বাদে একদিন শুরু হয়েছিল যাত্রা তা আজ তপস্যার বলে যজ্ঞেশালায় পরিণত হয়েছে। একে অপরকে আহুতি দিয়ে সাধনার মাধ্যমে নিজেরাঞ্জ পূণ্য অর্জন করেছে। তাই আজ দুঃখ, লজ্জা, ভয় নয়, মান অপমান সমস্ত ভুলে গিয়ে বুকে টেনে নিতে হবে সকলকে, যেমন ভাবে মা তার দুঃসহ প্রসব যন্ত্রণা শেষে জন্ম দেন সন্তানের তেমনই আশাবাদী কবি নিশ্চিত এই ভারতবর্ষে জন্ম

নেবে এক বিশাল ঐক্যবদ্ধ সংহত শক্তি। রবীন্দ্রনাথ যখন এই কবিতা লিখেছেন তখন ঔপনিবেশিক শক্তি ইংরেজরা আমাদের দেশ শাসন করেছে। ইংরেজের মাধ্যমে ভারতবর্ষ চিনেতে পশ্চিমের দেশগুলোকে। তাদের মাধ্যমে ভারতে এসেছে সভ্যতা ও সংস্কৃতি এবং জ্ঞান বিজ্ঞানের আলো। তাই কবি ইংরেজদেরও আহ্বান করেছেন ভারতের আত্মবিকাশের জন্য। কবি কণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছে- এসো হে আর্য, এসো অনার্য, হিন্দু মুসলমান, এসো এসো আজ তুমি ইংরাজ, এসো এসো খৃস্টান। এই মহামানবের সাগরতীরে দীন হীন পতিত নিপিড়িত সকলের নিমন্ত্রণ। দেশ মাতৃকার অভিষেকে দ্রুত সামিল হতে হবে। যে মঙ্গলঘট ভরা হয়নি তা সবার স্পর্শে পবিত্র হবে। তবেই এই ভারতবর্ষ পূর্ণতা পাবে। এই পূণ্য তীর্থে ধীরে ধীরে জেগে উঠে ত্যাগের গৌরবে ভারতবর্ষ শ্রেষ্ঠত্বের আসন পাবে।

           অতীতের ত্যাগ, ভক্তি, ভালোবাসার গৌরব আজ প্রায় অস্তমিত। বিশ্বায়নের যুগে মানুষ যত মানুষের কাছে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে তত তৈরী হচ্ছে অন্তরের দূরত্ব। অবিশ্বাস ও সংশায় দীর্ণ মানুষ আজ বিচ্ছিন্ন হতে হতে একা হয়ে যাচ্ছে। অথচ অতীতের ইতিহাস তো ঐক্যের ইতিহাস। পৃথিবীর আর কোন জাতি এমন উদার ছন্দে পরমানন্দে অন্য দেশ জাতি ধর্ম - বর্ণকে গ্রহণ করেছে কিনা সন্দেহ। কিন্তু ভারত আদর্শ স্বরূপ। রবীন্দ্রনাথের এ কবিতা আজ একশ বছর পরেও প্রাসঙ্গিক। তিনি যে ভালোবাসার মন্ত্রে সকলকে আহ্বান করে মঙ্গলঘটের মাধ্যমে নতুন সময় উদ্যাপন করতে বলেছেন তা যেন আশু কর্তব্য। নয়ত পারস্পরিক বিচ্ছিন্নতায় মানুষ আপন ঐতিহ্য, সম্পদ, সভ্যতাকে ভুলে যন্ত্রমানবে পরিণত হবে।

প্রশ্ন:- ছাত্রপত্র কবিতার মূল বক্তব্য ও নামকরণের তাৎপর্য আলোচনা করুন।

    উত্তর- আমি কবি নির্জনতা প্রিয় হব, আমি কি সেই ধরণের কবি? আমি যে জনতার কবি হতে চাই, জনতা বাদ দিলে আমার চলবে কি করে? কবির লেখা একটি চিঠির অংশ এটি। কবি সুকান্ত মাটিকে চিনেছিলেন, মানুষকে চিনেছিলেন তাই তার কবিতার নির্জনতা নয় জনতার চিৎকার প্রতিবাদ বার বার ধ্বনিত হয়। দৃঢ় প্রত্যয়ে তিনি যে কবিতা লিখে গেছেন তা আজও সমান প্রাসঙ্গিক। তিনি যখন কবিতা লিখতে শুরু করেন তখন ফ্যাসিবাদের নগ্ন রূপ চারিদেক ধরা পড়েছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু। সুকান্ত এই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে, সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে কলম চালালেন। কমিউনিষ্ট আদর্শে বিশ্বাসী সুকান্ত সমাজ বিপ্লবের স্বপ্ন দেখতেন। যে বিপ্লৰে জন্ম নেবে নতুন পৃথিবী। শাসন শোষনহীন, দুঃখদারিদ্রহীন যে জগতে নতুন শিশু খুঁজে পাৰে ৰাসযোগ্য জীবনের অধিকার। ছাড়পত্র’ কবিতায় একটি শিশু ছাড়পত্র পেয়েছে পৃথিবীতে বসবাস করার। কবি সুকান্ত ভূমিষ্ঠ শিশুর সুতীব্র চিৎকার খুঁজে পেয়েছেন আগামীর প্রদিবাদী ভাষা, যদিও সে ছোট্ট তবু তার মুষ্টিবদ্ধ হাত। কবির চোখে ছোট্ট শিশুর এই হাত প্রতিবাদের প্রতীক। সাধারণের কাছে। এই প্রতিবাদের ভাষা বোঝা মুশকিল। কবির কাছে এই নবজাতক নতুন জীবনের দূত। তিনি শিশুরকাছেই নতুন যুগের চিঠি পেয়েছেন যাতে আসন্ন যুগের পরিচয়পত্র আছে। এই নতুন শিশুকে তাই তার যোগ্য স্থান দিতে হবে। লালন করতে হবে ওর স্বপ্নকে। প্রাচীন জড়াক্লিষ্ট পৃথিবীর যা কিছু ব্যর্থতা আছে তাকে নিঃশেষ করে বাসযোগ্য করে তুলতে হবে এই পৃথিবীকে। দীন হীন জীর্ণ পৃথিবীর মৃত জঞ্জাল সরিয়ে কবি চলে যাবেন। কবি দৃঢ়ভাবে অঙ্গিকারবদ্ধ যে, এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার’ পৃথিবীতে নতুন যুগ প্রতিষ্ঠার জন্য কবি প্রাণপন চেষ্টা করবেন। কবির অঙ্গীকার বা প্রতিজ্ঞা পূর্ণ হলে, নিজের দেহের রক্তে বা জীবন দিয়ে নতুন শিশুকে আশীর্বাদ করে যাবেন। তবে কবি পুরানো জঞ্জালকে অপসৃত করতে চাইলেও ইতিহাসকে বাদ দেবেন না। কারণ ইতিহাসের মধ্যেই থাকে আগামীর বার্তা। নতুন যুগ প্রতিষ্ঠিত হলে ঐতিহ্যের মধ্যেই তিনি লীণ হয়ে থাকবেন। কবিতার নমকরণ ছাড়পত্র’ অত্যন্ত গুরুত্ববহন করেছে। একটি শিশু জন্মগ্রহণ করেই খবর এনেছে। সে খবর হল ছাড়পত্র বা ইংরাজীতে পাসপোর্ট সে পেয়েছে। ছাড়পত্রের অধিকারী দেশের সীমানা অতিক্রম করে, সে সীমানা পেরিয়ে যাওয়ার অধিকারী হয়। শিশুটি নতুন ছাড়পত্র পেয়ে বিশে তার অধিকার সম্পর্কে তীব্র চিৎকারের মাধ্যমে ঘোষণা করেছে আগামী পৃথিবীর। কবিতার প্রথমঅংশে শিশুটির প্রতিবাদ ধ্বনিত হয়েছে এবং শেষ অংশে সেই প্রতিবাদে কণ্ঠ মিলিয়েছেন কবি স্বয়ং। শুধু তাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গী দিয়ে তিনি প্রতিবাদকে দেখেননি। তার প্রয়োগিক রূপও দেখতে পাই। কবি নিজেই অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে নতুন শিশুর জন্য নতুন জগৎ নির্মাণ করতে চেয়েছেন। মৃতপ্রায়। পঙ্গু ব্যর্থ পৃথিবীর জঞ্জাল সরিয়ে বাসযোগ্য পৃথিবী প্রতিষ্ঠিত করবেন। যে ছাড়পত্র শিশু পেয়েছে। সেই ছাড়পত্রকে কবি সম্মান জানিয়ে শিশুর মঙ্গলার্থে রক্তদান অবধি করতে পারেন। তারপর ইতিহাসের নিয়মে চলে যাবেন ইতিহাসের স্রোতে। কর্মী ও বিপ্লবী কবির এ পথচলা আমাদের আজও প্রেরণা যুগিয়ে চলেছে।

 

প্রশ্ন:- নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার মন্তব্যটির উৎস কী? রচয়িতা কে? এখানে কোন্ অঙ্গীকারের কথা বলা হয়েছে? বিশদ আলোচনা করুন।                                                                                                                       

 উত্তর: -মন্তব্যটি কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের লেখা 'ছাড়পত্র' কাব্যগ্রন্থের নাম কবিতা 'ছাড়পত্র' কবিতা থেকে উৎকলিত। এ বিশ্বকে ভূমিষ্ঠশিশুর বাসযোগ করে তোলার অঙ্গীকারের কথা বলেছেন কবি। সমস্ত পৃথিবী জুড়ে যে জীর্ণতা ও ব্যর্থতার মৃত জঞ্জাল তূপীকৃত হয়েছে তাকে মুক্ত করে সবুজ শ্যামল স্বপ্নময় শান্তির জগৎ নির্মান করতে চেয়েছেন কবি। একটি শিশু জন্মলাভ করেই খবর এনেছে ছাড়পত্রের, ছাড়পত্রের অধিকার দেশের সীমানা অতিক্রম করতে পারে। এ শিশু আগামী পৃথিবীর খবর এনেছে। খর্বদেহে তার হাত মুষ্টিবদ্ধ। জন্মমাত্র সে প্রতিবাদী। সুতীব্র চিৎকারে সে দুর্বোধ্য প্রতিজ্ঞায় নতুন চিঠির কথা জানান দিয়েছে। ছাপোষা মানুষ সে ভাষা জানেনা, বোঝেও না। কিন্তু কবি সংবেদনশীল মানুষ। তিনি ভূমিষ্ঠ শিশুর পরিচয়পত্র পড়ে আসন্ন যুগের বার্তা খুঁজে পেয়েছেন। কিন্তু এ পৃথিবী এ শিশুর বসবাসের অযোগ্য। যুগযুগ। ধরে লালিত সংস্কার, ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আস্ফালন, শোষকের শাষিতের প্রতি নির্বিচার মনোভাব কবিকে ক্লিষ্ট করেছে। তাই শোষণহীন - শাসনহীন সুস্থ সমাজ ব্যবস্থার জন্য কবি বিপ্লব চেয়েছেন। এ বিপ্লবের কথা তার কবিতায় বারে বারে ঘুরে ফিরে এসেছে। কবির জীবনে আদর্শহিসাবেও ছিল কমিউষ্ঠি মতাদর্শ। নিজে গর্ব করে বলেছেন 'আমি কবি বলে নির্জনতাপ্রিয় হব, আমি কি সেই ধরণের কবি? আমি যে জনতার কবি হতে চাই, জনতা বাদ দিলে আমার চলবে কি করে ? তাছাড়া কবির চেয়ে বড় কথা আমি কমিউনিষ্ট, কমিউনিষ্টদের কাজ করবার সকল জনতা নিয়েই। কবির মেজবউদিকে লেখা একটি চিঠির অংশ এটি। একুশ বছরে ছোট্ট জীবনে কবি যে কটি কবিতা লিখেছেন সবগুলিই প্রায় বিপ্লবের মন্ত্রসঞ্জাত। ছাড়পত্র' কবিতায় কবি সেই বিপ্লবের স্বপ্ন দেখেছেন। শিশুর মুষ্টিবদ্ধ হাত সেই বিপ্লবের প্রতীক। কবি এ শিশুকে আগামী যুগের দূত বলে মনে করেছেন। শিশুর অস্পষ্ট কুয়াশা ভরা চোখে আসন্ন যুগের অভ্যুত্থান লক্ষ্য করেছেন। আর তাই তিনি চলে যেতে চান, সরে যেতে চান নতুন শিশুকে স্থান করে দেওয়ার জন্য।

কিন্তু এ চলে যাওয়া সাধারণের মত অর্থহীন নিশ্চেষ্ট মৃত্যুবরণ নয়। এ চলে যাওয়া কবির ইতিহাসের দিকে পা বাড়িয়ে ইতিহাসে অঙ্গীভূত হওয়া। জীর্ণ-ব্যর্থহীন পৃথিবীকে জঞ্জাল মুক্ত করে শিশুর বাসযোগ্য পরিবেশ করে দিতে চান কবি। নবজাতকের মুষ্টিবদ্ধ হাতের প্রতিবাদের পাশে এও জেন আরেক বিপ্লবী প্রত্যয়। দৃঢ়তার সঙ্গে কবি তাই বলতে পারেন"এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।' শুধু বিপ্লব নয়। কবির অঙ্গীকার পূর্ণ হলে কবি নবযুগের মঙ্গল কামনায় আশীর্বাদ করে যাবেন। যা কিছু পুরনো তা-ই তো ইতিহাকের অন্তর্গত। নতুন বিশ্ব প্রতিষ্ঠিত হলে কবিও ইতিহাসেই অঙ্গীভূত হয়ে যাবেন।

!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

fbg,

 nsou assignment,

fbg short notes,

 netaji subhas open university,

nsou bdp assingment 2021,

nsou exam 2021,

nsou reduced syllabus,

assingment,

excellence academy,

bdp 1st year,

notes,

bdp 1 st year,

!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

Thanks you for contacting EXCELLENCE ACADEMY

Please let us know how we can help you

 

Subscribe my You Tube channel :-

https://youtube.com/channel/UCeqI19916_20Ic39jK0wi1A

join my facebook group :-

https://www.facebook.com/groups/485319229356130/?ref=share

!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

 

 

No comments:

Post a Comment

how can we help you